প্রাচীনকালে মারাঠী ভাষার পূর্বসূরি মহারাষ্ট্রী-প্রাকৃত ভাষা দক্ষিণ ভারতের অনেক রাজ্যে ব্যবহৃত হত। এই ভাষায় বেশ কিছু সাহিত্য রচিত হয়েছে। বকাটক রাজবংশের এক রাজা, প্রবরসেন, এই ভাষায় ‘সেতুবন্ধ’ (অপর নাম রাবণবধ) নামক একটি রামকথা লিখেছিলেন। তিনি সেখানে ইন্দ্রজিতের রথের একটি আশ্চর্য বর্ণনা দিয়েছেন: সেটি চালিত হত কিছু বহুরূপীর দ্বারা, যারা ইচ্ছেমত তাদের আকৃতি বদলে হাতি, ঘোড়া, সিংহ, মেঘ বা পাহাড়,- যে কোন রূপ ধারণ করতে পারত। রাবণি ইন্দ্রজিতের মায়াবী যোদ্ধা রূপে খ্যাতি এতে আরো বৃদ্ধি পায়।
প্রবরসেনের মা, চন্দ্রগুপ্ত বিক্রমাদিত্যের কন্যা, প্রভাবতী ছিলেন ভারতের ইতিহাসে প্রথম নারী যিনি স্বাধীনভাবে রাজ্য পরিচালনা করতেন। তিনি সম্ভবত মহাকবি কালিদাসেরও পৃষ্ঠপোষক ছিলেন, – বকাটক শাষিত অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত রামটেক পর্বতে কালিদাস তাঁর মেঘদূতম্ রচনা করেন। প্রভাবতীর নাম দুই রামকথা রচয়িতার সঙ্গে এইভাবে যুক্ত।
Picture – Ram-Sita Vivaah Mandap at Janakpur
প্রাচীনকালে মারাঠী ভাষার পূর্বসূরি মহারাষ্ট্রী-প্রাকৃত ভাষা দক্ষিণ ভারতের অনেক রাজ্যে ব্যবহৃত হত। এই ভাষায় বেশ কিছু সাহিত্য রচিত হয়েছে। বকাটক রাজবংশের এক রাজা, প্রবরসেন, এই ভাষায় ‘সেতুবন্ধ’ (অপর নাম রাবণবধ) নামক একটি রামকথা লিখেছিলেন। তিনি সেখানে ইন্দ্রজিতের রথের একটি আশ্চর্য বর্ণনা দিয়েছেন: সেটি চালিত হত কিছু বহুরূপীর দ্বারা, যারা ইচ্ছেমত তাদের আকৃতি বদলে হাতি, ঘোড়া, সিংহ, মেঘ বা পাহাড়,- যে কোন রূপ ধারণ করতে পারত। রাবণি ইন্দ্রজিতের মায়াবী যোদ্ধা রূপে খ্যাতি এতে আরো বৃদ্ধি পায়।
প্রবরসেনের মা, চন্দ্রগুপ্ত বিক্রমাদিত্যের কন্যা, প্রভাবতী ছিলেন ভারতের ইতিহাসে প্রথম নারী যিনি স্বাধীনভাবে রাজ্য পরিচালনা করতেন। তিনি সম্ভবত মহাকবি কালিদাসেরও পৃষ্ঠপোষক ছিলেন, – বকাটক শাষিত অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত রামটেক পর্বতে কালিদাস তাঁর মেঘদূতম্ রচনা করেন। প্রভাবতীর নাম দুই রামকথা রচয়িতার সঙ্গে এইভাবে যুক্ত।
Picture – Ram-Sita Vivaah Mandap at Janakpur