তামিল ‘পালায়াকারান’, তেলুগু ‘পালেগাদু’, কন্নড় ‘পালেগারা’ এবং মারাঠি ‘পালেগার’ নামগুলো স্থানীয় সর্দারদের বোঝায়। তারা দক্ষিণ ভারতের রাজা ও নবাবদের জন্য দুর্গম অঞ্চলগুলো শাসন করতেন। ব্রিটিশরা এই রাজ্যগুলোকে অধীনস্থ করার পর, এই সর্দারদের অধিকারও খর্ব করার চেষ্টা করেছিল এবং তাই তারা উচ্চ কর ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছিল।
এরকম প্রায় ৮০ জন পলিগার ছিলেন, যাদের অধীনে ৩০,০০০ সৈন্য ছিল। ১৭৯০-এর দশকে তামিলনাড়ুর পলিগাররা প্রথম বিদ্রোহ করে, এরপর ১৮০০ সালে মালাবার ও দিন্দিগালের, ১৮০১-০৫ সালে অন্ধ্রপ্রদেশের এবং পুনরায় ১৮৪৬ সালে বিদ্রোহ সংগঠিত হয়। তামিলনাড়ুর বীরপান্ডিয়া কাটাবোম্মান এবং মারুদু পান্ডিয়ার ভাইয়েরা সবচেয়ে বিখ্যাত পলিগার নেতা। প্রখ্যাত অভিনেতা শিবাজি গণেশন ১৯৫৯ সালের একটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত তামিল চলচ্চিত্রে কাটাবোম্মানের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।
ছবিটি আইএমডিবি ওয়েবসাইটে থাকা চলচ্চিত্রটির একটি রঙিন পোস্টার।
সূত্র : জেসি দুয়া, জেস্টোর-এ পলিগার্স বিষয়ক বিভিন্ন প্রবন্ধ
তামিল ‘পালায়াকারান’, তেলুগু ‘পালেগাদু’, কন্নড় ‘পালেগারা’ এবং মারাঠি ‘পালেগার’ নামগুলো স্থানীয় সর্দারদের বোঝায়। তারা দক্ষিণ ভারতের রাজা ও নবাবদের জন্য দুর্গম অঞ্চলগুলো শাসন করতেন। ব্রিটিশরা এই রাজ্যগুলোকে অধীনস্থ করার পর, এই সর্দারদের অধিকারও খর্ব করার চেষ্টা করেছিল এবং তাই তারা উচ্চ কর ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছিল।
এরকম প্রায় ৮০ জন পলিগার ছিলেন, যাদের অধীনে ৩০,০০০ সৈন্য ছিল। ১৭৯০-এর দশকে তামিলনাড়ুর পলিগাররা প্রথম বিদ্রোহ করে, এরপর ১৮০০ সালে মালাবার ও দিন্দিগালের, ১৮০১-০৫ সালে অন্ধ্রপ্রদেশের এবং পুনরায় ১৮৪৬ সালে বিদ্রোহ সংগঠিত হয়। তামিলনাড়ুর বীরপান্ডিয়া কাটাবোম্মান এবং মারুদু পান্ডিয়ার ভাইয়েরা সবচেয়ে বিখ্যাত পলিগার নেতা। প্রখ্যাত অভিনেতা শিবাজি গণেশন ১৯৫৯ সালের একটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত তামিল চলচ্চিত্রে কাটাবোম্মানের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।
ছবিটি আইএমডিবি ওয়েবসাইটে থাকা চলচ্চিত্রটির একটি রঙিন পোস্টার।
সূত্র : জেসি দুয়া, জেস্টোর-এ পলিগার্স বিষয়ক বিভিন্ন প্রবন্ধ