কংসবধের পরে কৃষ্ণ ও বলরামকে শিক্ষালাভের উদ্দেশ্যে অবন্তী (আজকের উজ্জয়িনী) -তে সন্দীপনি মুনির আশ্রমে পাঠানো হয়। মধ্যপ্রদেশে শিপ্রা (ক্ষিপ্রা) নদীর তীরে এই স্থান, যা এখনও সন্দীপনির আশ্রম হিসেবে চিহ্নিত। কুম্ভমেলার একটি স্থান হল উজ্জয়িনী।
চৌষট্টি দিনে কৃষ্ণ চৌষট্টি কলা আয়ত্ত করলেন। গুরুদক্ষিণার হিসেবে তিনি গুরু সন্দীপনির পুত্র, যে সমুদ্রে হারিয়ে গিয়েছিল, তাকে যমের পুরী থেকে উদ্ধার করলেন।
এই আশ্রমে দরিদ্র ব্রাহ্মণ সুদামার সঙ্গে কৃষ্ণের প্রগাঢ় বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। শিক্ষান্তে তাঁরা নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে চলে যান। সুদামার দারিদ্র্য ঘোচে না। স্ত্রীর অনুরোধে সুদামা দ্বারকাধীশ কৃষ্ণের কাছে গেলেন। উপহার হিসেবে নিয়ে গেলেন প্রতিবেশীদের কাছ থেকে জোগাড় করা সামান্য একটু চিঁড়ে। কৃষ্ণ স্বহস্তে তাঁর পা ধুয়ে দিলেন, তাঁকে সাদরে আপ্যায়ন করলেন ও তাঁর উপহার সানন্দে গ্রহণ করলেন। কৃষ্ণের ভালোবাসায় আপ্লুত সুদামা মুখ ফুটে সাহায্য প্রার্থনা করতে পারেননি। যখন তিনি ফিরে এলেন, তখন দেখলেন তাঁর ভাঙা কুঁড়েঘর রাজপ্রাসাদ হয়ে গেছে।
কংসবধের পরে কৃষ্ণ ও বলরামকে শিক্ষালাভের উদ্দেশ্যে অবন্তী (আজকের উজ্জয়িনী) -তে সন্দীপনি মুনির আশ্রমে পাঠানো হয়। মধ্যপ্রদেশে শিপ্রা (ক্ষিপ্রা) নদীর তীরে এই স্থান, যা এখনও সন্দীপনির আশ্রম হিসেবে চিহ্নিত। কুম্ভমেলার একটি স্থান হল উজ্জয়িনী।
চৌষট্টি দিনে কৃষ্ণ চৌষট্টি কলা আয়ত্ত করলেন। গুরুদক্ষিণার হিসেবে তিনি গুরু সন্দীপনির পুত্র, যে সমুদ্রে হারিয়ে গিয়েছিল, তাকে যমের পুরী থেকে উদ্ধার করলেন।
এই আশ্রমে দরিদ্র ব্রাহ্মণ সুদামার সঙ্গে কৃষ্ণের প্রগাঢ় বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। শিক্ষান্তে তাঁরা নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে চলে যান। সুদামার দারিদ্র্য ঘোচে না। স্ত্রীর অনুরোধে সুদামা দ্বারকাধীশ কৃষ্ণের কাছে গেলেন। উপহার হিসেবে নিয়ে গেলেন প্রতিবেশীদের কাছ থেকে জোগাড় করা সামান্য একটু চিঁড়ে। কৃষ্ণ স্বহস্তে তাঁর পা ধুয়ে দিলেন, তাঁকে সাদরে আপ্যায়ন করলেন ও তাঁর উপহার সানন্দে গ্রহণ করলেন। কৃষ্ণের ভালোবাসায় আপ্লুত সুদামা মুখ ফুটে সাহায্য প্রার্থনা করতে পারেননি। যখন তিনি ফিরে এলেন, তখন দেখলেন তাঁর ভাঙা কুঁড়েঘর রাজপ্রাসাদ হয়ে গেছে।