বিশ্বেশ্বরৈয়ার জন্মস্থান বেঙ্গালুরুর নিকটে। পুণেতে তাঁর অভিযন্ত্রবিদ্যা শিক্ষা। তিনি সুরত, বম্বে, হায়দ্রাবাদ, এডেন এবং তানজানিয়ায় কাজ করেছেন। ১৯০৯ সালে মহীশূর রাজ্যের মুখ্য প্রকৌশলী পদে যোগদান করতে তিনি আমন্ত্রিত হন। তাঁর প্রস্তাবিত কৃষ্ণরাজসাগর বাঁধ প্রকল্প ব্যয়বহুল হওয়া সত্ত্বেও মহীশূরের মহারাজা কৃষ্ণরাজা ওয়াদিয়ার সেটি অনুমোদন করেন। এই প্রকল্প নির্মাণ করতে ২০ বছর সময় লেগেছিল, এবং ১৯৩১ সালে এটি কার্যকর হয়।
১৯১২ সালে তিনি মহীশুরের দেওয়ান (প্রধানমন্ত্রী) নিযুক্ত হন এবং মহারাজ তথা মহীশূরের সেবায় ব্রতী হন। তিনি শিল্পোদ্যোগ, ব্যাঙ্ক, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, বিশ্ববিদ্যালয় ইত্যাদি স্থাপন করে মহীশূরকে ভারতের অন্যতম আধুনিক স্থানে রূপান্তরিত করেছিলেন। ব্রিটিশ সরকার তাঁকে নাইট উপাধি দিয়েছিল এবং স্বাধীন ভারত তাঁকে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করেছিল।
কথিত আছে যে দিওয়ান নিযুক্ত হওয়ার পরে তিনি তার আত্মীয়দের ডেকে বলেছিলেন যে তাঁরা যদি শপথ করেন যে তাঁরা কোনরকম অনুগ্রহ প্রার্থনা করবেন না, তাহলেই তিনি এই পদটি গ্রহণ করবেন। তিনি কর্ণাটকের অন্যতম ব্যক্তি হিসাবে স্বীকৃত। তানজানিয়া এবং শ্রীলঙ্কায় তাঁর অবদানকে স্মরণ করে ১৫ই সেপ্টেম্বর ইঞ্জিনিয়ার দিবস উদযাপিত হয়।
উইকিমিডিয়া থেকে প্রাপ্ত অশ্বিনকুমারের তোলা কৃষ্ণরাজ সাগর বাঁধের চিত্র
বিশ্বেশ্বরৈয়ার জন্মস্থান বেঙ্গালুরুর নিকটে। পুণেতে তাঁর অভিযন্ত্রবিদ্যা শিক্ষা। তিনি সুরত, বম্বে, হায়দ্রাবাদ, এডেন এবং তানজানিয়ায় কাজ করেছেন। ১৯০৯ সালে মহীশূর রাজ্যের মুখ্য প্রকৌশলী পদে যোগদান করতে তিনি আমন্ত্রিত হন। তাঁর প্রস্তাবিত কৃষ্ণরাজসাগর বাঁধ প্রকল্প ব্যয়বহুল হওয়া সত্ত্বেও মহীশূরের মহারাজা কৃষ্ণরাজা ওয়াদিয়ার সেটি অনুমোদন করেন। এই প্রকল্প নির্মাণ করতে ২০ বছর সময় লেগেছিল, এবং ১৯৩১ সালে এটি কার্যকর হয়।
১৯১২ সালে তিনি মহীশুরের দেওয়ান (প্রধানমন্ত্রী) নিযুক্ত হন এবং মহারাজ তথা মহীশূরের সেবায় ব্রতী হন। তিনি শিল্পোদ্যোগ, ব্যাঙ্ক, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, বিশ্ববিদ্যালয় ইত্যাদি স্থাপন করে মহীশূরকে ভারতের অন্যতম আধুনিক স্থানে রূপান্তরিত করেছিলেন। ব্রিটিশ সরকার তাঁকে নাইট উপাধি দিয়েছিল এবং স্বাধীন ভারত তাঁকে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করেছিল।
কথিত আছে যে দিওয়ান নিযুক্ত হওয়ার পরে তিনি তার আত্মীয়দের ডেকে বলেছিলেন যে তাঁরা যদি শপথ করেন যে তাঁরা কোনরকম অনুগ্রহ প্রার্থনা করবেন না, তাহলেই তিনি এই পদটি গ্রহণ করবেন। তিনি কর্ণাটকের অন্যতম ব্যক্তি হিসাবে স্বীকৃত। তানজানিয়া এবং শ্রীলঙ্কায় তাঁর অবদানকে স্মরণ করে ১৫ই সেপ্টেম্বর ইঞ্জিনিয়ার দিবস উদযাপিত হয়।
উইকিমিডিয়া থেকে প্রাপ্ত অশ্বিনকুমারের তোলা কৃষ্ণরাজ সাগর বাঁধের চিত্র