লোককথা অনুযায়ী ব্রহ্মা সাধারণ মানুষের কাছে অভিনয় শিল্পের মাধ্যমে বেদের সারমর্ম পৌঁছে দেওয়ার জন্য পঞ্চম বেদ হিসেবে নাট্যবেদ রচনা করেছিলেন এবং পরে ভরতমুনিকে সেটি শিখিয়েছিলেন। বলা হয় আনুমানিক ৫০০ খৃষ্টপূর্বাব্দে ভরতমুনি নাট্যশাস্ত্র রচনা করেন। নাট্যশাস্ত্র উপবেদের অন্তর্গত গন্ধর্ববেদের একটি অংশ।
নাট্যশাস্ত্রকে অভিনয় শিল্প, সাহিত্য, নন্দনতত্ত্ব এবং স্থাপত্যের একটি বিশ্বকোষ বলা যায়। এটি নাট্য যোগাযোগে আবেগ, অনুভূতি ও মেজাজ নিয়ে আলোচনা করে ও শারীরিক, বাচিক, বস্তুগত এবং আবেগের মাধ্যমে প্রকাশিত অভিব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করে। এটি সমস্ত সৃজনশীল দক্ষতা – যেমন সঙ্গীত, বাদ্যযন্ত্র, নৃত্য, অলঙ্কার, গীতরচনা, ব্যাকরণ, শৈলী, ছন্দশাস্ত্র, মঞ্চনির্মাণ, দৃশ্যপট নির্মাণ, স্থাপত্য, অলঙ্কার, রূপসজ্জা ও পোশাক এবং নাট্যশিক্ষা – ক্ষেত্রগুলিকে সম্পূর্ণরূপে অন্তর্ভুক্ত করে। শুধুমাত্র শিল্পীর অভিব্যক্তি (ভাব) নয়, তা অতিক্রম করে নাট্যশাস্ত্রের লক্ষ্য দর্শকদের মধ্যে নান্দনিক আবেগ (রস) জাগিয়ে তোলা। ভরত রসকে দর্শকদের দ্বারা অনুভূত নান্দনিক স্বাদ বা আবেগিক সারমর্ম হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। ভরত বলেন, “ধর্ম শিক্ষা দিতে, সদ্গুণে অনুপ্রাণিত করতে ও সকল প্রাণীর জন্য আনন্দ বয়ে আনার জন্য নাট্যের সৃষ্টি হয়।” পরিবেশন শিল্পকে তাই কেবল বিনোদন হিসেবে দেখা হয় না, বরং মোক্ষ বা পরমানন্দ লাভের একটি বাহন হিসেবে মানা হয়।
আজকের প্রাসঙ্গিকতা: আমরা গীত বোঝাতে “গান” শব্দটি ব্যবহার করি। এই শব্দটি নাট্যশাস্ত্রে বিনোদনের উদ্দেশ্যে রচিত জনপ্রিয়, আঞ্চলিক সঙ্গীতের জন্য উল্লেখিত আছে, যা আনুষ্ঠানিক গান্ধর্ব সঙ্গীত থেকে সম্পুর্ণ আলাদা। প্রসঙ্গত, তামিলনাড়ুতে গান বলতে সম্পূর্ণ গ্রাম্য এবং অনানুষ্ঠানিক সঙ্গীতকেই বোঝায়।
চিত্র: নবরসের একটি প্রতিচ্ছবি।
লোককথা অনুযায়ী ব্রহ্মা সাধারণ মানুষের কাছে অভিনয় শিল্পের মাধ্যমে বেদের সারমর্ম পৌঁছে দেওয়ার জন্য পঞ্চম বেদ হিসেবে নাট্যবেদ রচনা করেছিলেন এবং পরে ভরতমুনিকে সেটি শিখিয়েছিলেন। বলা হয় আনুমানিক ৫০০ খৃষ্টপূর্বাব্দে ভরতমুনি নাট্যশাস্ত্র রচনা করেন। নাট্যশাস্ত্র উপবেদের অন্তর্গত গন্ধর্ববেদের একটি অংশ।
নাট্যশাস্ত্রকে অভিনয় শিল্প, সাহিত্য, নন্দনতত্ত্ব এবং স্থাপত্যের একটি বিশ্বকোষ বলা যায়। এটি নাট্য যোগাযোগে আবেগ, অনুভূতি ও মেজাজ নিয়ে আলোচনা করে ও শারীরিক, বাচিক, বস্তুগত এবং আবেগের মাধ্যমে প্রকাশিত অভিব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করে। এটি সমস্ত সৃজনশীল দক্ষতা – যেমন সঙ্গীত, বাদ্যযন্ত্র, নৃত্য, অলঙ্কার, গীতরচনা, ব্যাকরণ, শৈলী, ছন্দশাস্ত্র, মঞ্চনির্মাণ, দৃশ্যপট নির্মাণ, স্থাপত্য, অলঙ্কার, রূপসজ্জা ও পোশাক এবং নাট্যশিক্ষা – ক্ষেত্রগুলিকে সম্পূর্ণরূপে অন্তর্ভুক্ত করে। শুধুমাত্র শিল্পীর অভিব্যক্তি (ভাব) নয়, তা অতিক্রম করে নাট্যশাস্ত্রের লক্ষ্য দর্শকদের মধ্যে নান্দনিক আবেগ (রস) জাগিয়ে তোলা। ভরত রসকে দর্শকদের দ্বারা অনুভূত নান্দনিক স্বাদ বা আবেগিক সারমর্ম হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। ভরত বলেন, “ধর্ম শিক্ষা দিতে, সদ্গুণে অনুপ্রাণিত করতে ও সকল প্রাণীর জন্য আনন্দ বয়ে আনার জন্য নাট্যের সৃষ্টি হয়।” পরিবেশন শিল্পকে তাই কেবল বিনোদন হিসেবে দেখা হয় না, বরং মোক্ষ বা পরমানন্দ লাভের একটি বাহন হিসেবে মানা হয়।
আজকের প্রাসঙ্গিকতা: আমরা গীত বোঝাতে “গান” শব্দটি ব্যবহার করি। এই শব্দটি নাট্যশাস্ত্রে বিনোদনের উদ্দেশ্যে রচিত জনপ্রিয়, আঞ্চলিক সঙ্গীতের জন্য উল্লেখিত আছে, যা আনুষ্ঠানিক গান্ধর্ব সঙ্গীত থেকে সম্পুর্ণ আলাদা। প্রসঙ্গত, তামিলনাড়ুতে গান বলতে সম্পূর্ণ গ্রাম্য এবং অনানুষ্ঠানিক সঙ্গীতকেই বোঝায়।
চিত্র: নবরসের একটি প্রতিচ্ছবি।