মনুষ্যজীবনে চারপ্রকার পুরুষার্থ – ধর্ম, অর্থ, কাম, মোক্ষ। আনুমানিক খৃষ্টপূর্ব চতুর্থ শতক থেকে খৃষ্টীয় তৃতীয় শতকের মধ্যে কোন এক সময়ে রচিত কামসূত্র মনোনিবেশ করে ‘কাম’ বা শারীরিক কামনা বাসনা ও মানসিক পরিপূর্ণতা উপর। এই গ্রন্থে বসন্তোৎসবের বর্ণনায় উদক-ক্ষ্বেদিকা (জল ছেটানোর উপকরণ)-এর উল্লেখ পাওয়া যায়। এই সূত্রের একটি ভাষ্য, জয়মঙ্গল, ব্যাখ্যা করে যে ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে হোলাকা উৎসব পালিত হয়। এই দিনে কিংশুক কিম্বা পলাশ ফুলের পাপড়ি থেকে রঙ তৈরি করে তা জলে মিশিয়ে বা শুকনো আবীর রূপে সকলে একে অপরকে রাঙিয়ে দেয়। শৃঙ্গ ক্রীড়া বা পিচকিরি নিয়ে খেলাও প্রচলিত।
চিত্র: কর্ণাটকে অবস্থিত একটি দ্বাদশ শতকে নির্মিত মন্দির গাত্রে খোদিত হোলির সমতুল্য উৎসব প্রদর্শিত হয়েছে। এই উৎসবের নাম সেচন ক্রীড়া।
Picture Credit: Heritage Labs, 18th Century Radha Krishna
মনুষ্যজীবনে চারপ্রকার পুরুষার্থ – ধর্ম, অর্থ, কাম, মোক্ষ। আনুমানিক খৃষ্টপূর্ব চতুর্থ শতক থেকে খৃষ্টীয় তৃতীয় শতকের মধ্যে কোন এক সময়ে রচিত কামসূত্র মনোনিবেশ করে ‘কাম’ বা শারীরিক কামনা বাসনা ও মানসিক পরিপূর্ণতা উপর। এই গ্রন্থে বসন্তোৎসবের বর্ণনায় উদক-ক্ষ্বেদিকা (জল ছেটানোর উপকরণ)-এর উল্লেখ পাওয়া যায়। এই সূত্রের একটি ভাষ্য, জয়মঙ্গল, ব্যাখ্যা করে যে ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে হোলাকা উৎসব পালিত হয়। এই দিনে কিংশুক কিম্বা পলাশ ফুলের পাপড়ি থেকে রঙ তৈরি করে তা জলে মিশিয়ে বা শুকনো আবীর রূপে সকলে একে অপরকে রাঙিয়ে দেয়। শৃঙ্গ ক্রীড়া বা পিচকিরি নিয়ে খেলাও প্রচলিত।
চিত্র: কর্ণাটকে অবস্থিত একটি দ্বাদশ শতকে নির্মিত মন্দির গাত্রে খোদিত হোলির সমতুল্য উৎসব প্রদর্শিত হয়েছে। এই উৎসবের নাম সেচন ক্রীড়া।
Picture Credit: Heritage Labs, 18th Century Radha Krishna