চালা স্থাপত্য বাংলার সংস্কৃতির একটি পরিচায়ক। ‘চালা’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ হল ‘ছাদ’। গ্রামবাংলার সাধারণ কুঁড়েঘরের ঢালু খড়ের ছাউনি থেকে পরবর্তীকালে বাংলার বিখ্যাত পোড়ামাটির মন্দিরগুলির ঢালু মাটির ছাদের নকশার বিকাশ ঘটে।
এই স্থাপত্যরীতি বাংলার উষ্ণ, আর্দ্র ও বর্ষাপ্রধান জলবায়ুর সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখে – ঢালু ছাদ দিয়ে বৃষ্টির জল দ্রুত নেমে যায়; অন্যদিকে ছাদের উপাদান নীরন্ধ্র কাদামাটি হওয়ার ফলে বৃষ্টির জল গৃহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে না। ঢালযুক্ত ছাদের সংখ্যার ভিত্তিতে চালা স্থাপত্যের বিভিন্ন রূপ গড়ে ওঠে— একচালা (একদিকে ঢাল), দোচালা (দুইদিকে ঢাল), তিনচালা (তিনটি ঢাল), চারচালা (চারটি ঢাল), আটচালা (আটটি ঢাল)।
পরবর্তীতে এই স্থাপত্যরীতির আরও পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটে। একটি দোচালা কাঠামোকে ‘একবাংলা’ বলা হয়। জোড়বাংলা রীতিতে দুটি দোচালা কাঠামোকে যুক্ত করে একটি বৃহত্তর স্থাপনা নির্মাণ করা হয়।
ছবি: চালা স্থাপত্যরীতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন পশ্চিমবঙ্গের বিষ্ণুপুরে অবস্থিত জোড়বাংলা মন্দির। ছবি কৃতজ্ঞতা: পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন বিভাগ।
উৎস: Oaklores.com
চালা স্থাপত্য বাংলার সংস্কৃতির একটি পরিচায়ক। ‘চালা’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ হল ‘ছাদ’। গ্রামবাংলার সাধারণ কুঁড়েঘরের ঢালু খড়ের ছাউনি থেকে পরবর্তীকালে বাংলার বিখ্যাত পোড়ামাটির মন্দিরগুলির ঢালু মাটির ছাদের নকশার বিকাশ ঘটে।
এই স্থাপত্যরীতি বাংলার উষ্ণ, আর্দ্র ও বর্ষাপ্রধান জলবায়ুর সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখে – ঢালু ছাদ দিয়ে বৃষ্টির জল দ্রুত নেমে যায়; অন্যদিকে ছাদের উপাদান নীরন্ধ্র কাদামাটি হওয়ার ফলে বৃষ্টির জল গৃহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে না। ঢালযুক্ত ছাদের সংখ্যার ভিত্তিতে চালা স্থাপত্যের বিভিন্ন রূপ গড়ে ওঠে— একচালা (একদিকে ঢাল), দোচালা (দুইদিকে ঢাল), তিনচালা (তিনটি ঢাল), চারচালা (চারটি ঢাল), আটচালা (আটটি ঢাল)।
পরবর্তীতে এই স্থাপত্যরীতির আরও পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটে। একটি দোচালা কাঠামোকে ‘একবাংলা’ বলা হয়। জোড়বাংলা রীতিতে দুটি দোচালা কাঠামোকে যুক্ত করে একটি বৃহত্তর স্থাপনা নির্মাণ করা হয়।
ছবি: চালা স্থাপত্যরীতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন পশ্চিমবঙ্গের বিষ্ণুপুরে অবস্থিত জোড়বাংলা মন্দির। ছবি কৃতজ্ঞতা: পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন বিভাগ।
উৎস: Oaklores.com