৪. যেখানেই দুজন মানুষ ষড়যন্ত্র করে এবং মনে করে সেখানে আর কেউ নেই, সেখানেই বরুণরাজা তাদের সমস্ত চক্রান্ত প্রত্যক্ষ করতে এবং এই ষড়যন্ত্রের সাক্ষী থাকতে তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে উপস্থিত থাকেন। এই স্তোত্রটি কোথায় পাওয়া যায়?
উদ্ধৃতিটি অথর্ব বেদের চতুর্থ কাণ্ড ষোড়শ সূক্তের ভাবানুবাদ। এখানে বরুণের সর্বব্যাপী উপস্থিতির কথা বলা হয়েছে।
ঋগ্বেদের বরুণ সূক্তগুলিতে হত্যা, প্রতারণা ইত্যাদি কাজের বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আছে। ন্যায় বিচারের প্রতি বরুণের নিষ্ঠার জন্য ঋগ্বেদ তাঁকেই রাজা বা ‘সম্রাট’ হিসেবে মহিমান্বিত করে, ইন্দ্রকে নয়, এবং বরুণই রাজত্বের বৈদিক আদর্শ হয়ে উঠেছেন। তিনি দয়ালুও বটে।
বৈদিক ঐতিহ্যে ব্রাহ্মণগুলি চাতুর্মাস্য যজ্ঞের অন্তর্গত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঋতুভিত্তিক যজ্ঞ, ‘বরুণপ্রঘাস’ যজ্ঞ-এর বর্ণনা করে। এটি মূলত আষাঢ় মাসে বর্ষা ঋতুর শুরুতে সম্পন্ন করা হয়, যেখানে বৃষ্টির দেবতা বরুণ এবং মরুভূমির দেবতা মরুতের উদ্দেশ্যে আহুতি বা নৈবেদ্য অর্পণ করা হয়। এখানে পাপমোচন এবং বরুণের পাশ (ফাঁস) থেকে রক্ষা পেতে যব নিবেদন করা হত। যবের ব্যবহার, যা প্রাচীনতম চাষ করা শস্যগুলির মধ্যে অন্যতম, বরুণ ঐতিহ্যের প্রাচীনত্বের সাক্ষ্য বহন করে।
যজুর্বেদ তাঁকে নৈতিক জগতের শাসক বলে অভিহিত করে, যিনি মানুষকে ভুল কাজ করা থেকে বিরত রাখার জন্য পাশ (ফাঁস) বহন করেন। পরবর্তী কাহিনীগুলিতে যম বা মৃত্যুর দেবতাই মানুষের বিচার করেন এবং পাশ বহন করেন।
উইকিমিডিয়ার থেকে গৃহীত ছবিটিতে খৃষ্টীয় ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শতাব্দীতে নির্মিত বরুণের একটি মূর্তি দেখা যাচ্ছে। তাঁর হাতে একটি ফাঁস ও সঙ্গে একটি রাজহাঁস আছে।
উদ্ধৃতিটি অথর্ব বেদের চতুর্থ কাণ্ড ষোড়শ সূক্তের ভাবানুবাদ। এখানে বরুণের সর্বব্যাপী উপস্থিতির কথা বলা হয়েছে।
ঋগ্বেদের বরুণ সূক্তগুলিতে হত্যা, প্রতারণা ইত্যাদি কাজের বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আছে। ন্যায় বিচারের প্রতি বরুণের নিষ্ঠার জন্য ঋগ্বেদ তাঁকেই রাজা বা ‘সম্রাট’ হিসেবে মহিমান্বিত করে, ইন্দ্রকে নয়, এবং বরুণই রাজত্বের বৈদিক আদর্শ হয়ে উঠেছেন। তিনি দয়ালুও বটে।
বৈদিক ঐতিহ্যে ব্রাহ্মণগুলি চাতুর্মাস্য যজ্ঞের অন্তর্গত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঋতুভিত্তিক যজ্ঞ, ‘বরুণপ্রঘাস’ যজ্ঞ-এর বর্ণনা করে। এটি মূলত আষাঢ় মাসে বর্ষা ঋতুর শুরুতে সম্পন্ন করা হয়, যেখানে বৃষ্টির দেবতা বরুণ এবং মরুভূমির দেবতা মরুতের উদ্দেশ্যে আহুতি বা নৈবেদ্য অর্পণ করা হয়। এখানে পাপমোচন এবং বরুণের পাশ (ফাঁস) থেকে রক্ষা পেতে যব নিবেদন করা হত। যবের ব্যবহার, যা প্রাচীনতম চাষ করা শস্যগুলির মধ্যে অন্যতম, বরুণ ঐতিহ্যের প্রাচীনত্বের সাক্ষ্য বহন করে।
যজুর্বেদ তাঁকে নৈতিক জগতের শাসক বলে অভিহিত করে, যিনি মানুষকে ভুল কাজ করা থেকে বিরত রাখার জন্য পাশ (ফাঁস) বহন করেন। পরবর্তী কাহিনীগুলিতে যম বা মৃত্যুর দেবতাই মানুষের বিচার করেন এবং পাশ বহন করেন।
উইকিমিডিয়ার থেকে গৃহীত ছবিটিতে খৃষ্টীয় ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শতাব্দীতে নির্মিত বরুণের একটি মূর্তি দেখা যাচ্ছে। তাঁর হাতে একটি ফাঁস ও সঙ্গে একটি রাজহাঁস আছে।