স্বামীজি বলেছিলেন যে যুগের প্রয়োজনে একেক সময় একেকটি ধারায় আধ্যাত্মিক সাধনার পথ সৃষ্টি হয়েছে। প্রাচীনকালের কঠিন তপস্যার পথ পরবর্তী কালে ভক্তিযোগের রূপ নিয়েছে। কখনো আবার তা দর্শন এবং ত্যাগের পথে পরিণত হয়েছে। আধুনিক যুগের উপযুক্ত পথ হিসেবে তিনি নিঃস্বার্থ কর্মযোগ অর্থাৎ সেবার পথ বেছে নিতে মানুষকে উৎসাহিত করেছেন। ভারতের মানুষজনকে তমস ও জাড্য থেকে মুক্ত করতে সেবার পথই সর্বোত্তম বলে মনে করতেন তিনি। কঠোপনিষদের মন্ত্র, “উত্তিষ্ঠত জাগ্রত প্রাপ্য বরান্ নিবোধত”, যার অর্থ “ওঠো, জাগো, এবং লক্ষ্যে পৌছানোর আগে থেমো না”, তিনি জনপ্রিয় করেছিলেন। স্বামীজি স্বয়ং তন্ত্রমতে, ধ্যানযোগে, ও ভক্তিযোগের পন্থায় মা কালীর পূজা করতেন; সেইসঙ্গে বেদান্ত অধ্যয়ন এবং নিঃস্বার্থ সেবা অনুসরণ করতেন।
উইকিমিডিয়ার চিত্রটি ১৮৯৩ সালে শিকাগো তে তোলা। সেখানে তিনি লিখেছিলেন- “হে নির্গুণ, কল্পনাতীত, অনন্ত, বিশুদ্ধ, পবিত্র সত্ত্বা- আমি তোমার চরণে মাথা নত করি”।
স্বামীজি বলেছিলেন যে যুগের প্রয়োজনে একেক সময় একেকটি ধারায় আধ্যাত্মিক সাধনার পথ সৃষ্টি হয়েছে। প্রাচীনকালের কঠিন তপস্যার পথ পরবর্তী কালে ভক্তিযোগের রূপ নিয়েছে। কখনো আবার তা দর্শন এবং ত্যাগের পথে পরিণত হয়েছে। আধুনিক যুগের উপযুক্ত পথ হিসেবে তিনি নিঃস্বার্থ কর্মযোগ অর্থাৎ সেবার পথ বেছে নিতে মানুষকে উৎসাহিত করেছেন। ভারতের মানুষজনকে তমস ও জাড্য থেকে মুক্ত করতে সেবার পথই সর্বোত্তম বলে মনে করতেন তিনি। কঠোপনিষদের মন্ত্র, “উত্তিষ্ঠত জাগ্রত প্রাপ্য বরান্ নিবোধত”, যার অর্থ “ওঠো, জাগো, এবং লক্ষ্যে পৌছানোর আগে থেমো না”, তিনি জনপ্রিয় করেছিলেন। স্বামীজি স্বয়ং তন্ত্রমতে, ধ্যানযোগে, ও ভক্তিযোগের পন্থায় মা কালীর পূজা করতেন; সেইসঙ্গে বেদান্ত অধ্যয়ন এবং নিঃস্বার্থ সেবা অনুসরণ করতেন।
উইকিমিডিয়ার চিত্রটি ১৮৯৩ সালে শিকাগো তে তোলা। সেখানে তিনি লিখেছিলেন- “হে নির্গুণ, কল্পনাতীত, অনন্ত, বিশুদ্ধ, পবিত্র সত্ত্বা- আমি তোমার চরণে মাথা নত করি”।