শিবাজীর রাজত্বের আগে, কর সংগ্রহ করত মধ্যস্থতাকারীরা। তারা যথেচ্ছ হারে কর আদায় করত এবং করের একটি অংশ সম্রাটকে দিত। শিবাজী মহারাজ এই মধ্যস্বত্বভোগী, জমিদার, দেশমুখ এবং দেশাইদের দূর করে একটি নির্দিষ্ট হারে কর ধার্য করেন এবং কর আদায়কারীদের বেতন দেওয়া শুরু করেন। অবশ্য এই ব্যবস্থাটি পরিকল্পনা অনুযায়ী পুরোপুরি কাজ করেনি।
একইভাবে, জাগিরদারদের নিজস্ব সৈন্যবাহিনী রাখার প্রথাটিও শিবাজী বন্ধ করেছিলেন। তিনি একটি পেশাদার সেনাবাহিনী তৈরি করেছিলেন (প্রায় ৩০,০০০ থেকে ৪০,০০০ লোক) এবং তাদের নিয়মিত বেতন দিতেন। তারা বছরে ৮ মাস নানা অভিযানে ব্যস্ত থাকত এবং যেখানে অভিযান চলত সেখানকার জমি থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব দিয়ে জীবনযাপন করত।
ছবি: পুরন্দর দুর্গের পথে শিবাজী, চিত্রশিল্পী এম ভি ধুরন্ধর।
উৎস: Shivaji and his times, যদুনাথ সরকার।
শিবাজীর রাজত্বের আগে, কর সংগ্রহ করত মধ্যস্থতাকারীরা। তারা যথেচ্ছ হারে কর আদায় করত এবং করের একটি অংশ সম্রাটকে দিত। শিবাজী মহারাজ এই মধ্যস্বত্বভোগী, জমিদার, দেশমুখ এবং দেশাইদের দূর করে একটি নির্দিষ্ট হারে কর ধার্য করেন এবং কর আদায়কারীদের বেতন দেওয়া শুরু করেন। অবশ্য এই ব্যবস্থাটি পরিকল্পনা অনুযায়ী পুরোপুরি কাজ করেনি।
একইভাবে, জাগিরদারদের নিজস্ব সৈন্যবাহিনী রাখার প্রথাটিও শিবাজী বন্ধ করেছিলেন। তিনি একটি পেশাদার সেনাবাহিনী তৈরি করেছিলেন (প্রায় ৩০,০০০ থেকে ৪০,০০০ লোক) এবং তাদের নিয়মিত বেতন দিতেন। তারা বছরে ৮ মাস নানা অভিযানে ব্যস্ত থাকত এবং যেখানে অভিযান চলত সেখানকার জমি থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব দিয়ে জীবনযাপন করত।
ছবি: পুরন্দর দুর্গের পথে শিবাজী, চিত্রশিল্পী এম ভি ধুরন্ধর।
উৎস: Shivaji and his times, যদুনাথ সরকার।