১৮৭৫ সালে কলকাতার সাহিত্য জগতে ব্রজবুলি নামক একটি অপ্রচলিত বাংলা উপভাষায় বৈষ্ণব কবি ভানুসিংহ রচিত একগুচ্ছ অসাধারণ কবিতা প্রকাশিত হয়। পরে জানা যায় যে, এটি সংস্কারক মনোভাবাপন্ন বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারের এক তরুণ বংশধর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা। মাত্র ষোল বছর বয়সে তিনি এগুলি রচনা করেছিলেন। কবিতাগুলি পূর্ব ভারতের ভাবাবেগপূর্ণ ভক্তি ঐতিহ্যের কাছে বহুলাংশে ঋণী। এই ঐতিহ্যের সূচনা হয়েছিল দ্বাদশ শতাব্দীতে জয়দেবের ‘গীত গোবিন্দ’ থেকে। এর পরে আসেন চৈতন্য মহাপ্রভু এবং চণ্ডীদাস, রামপ্রসাদ সেন ও অন্যান্য কবিগণ। পঞ্চদশ শতাব্দী থেকে তাঁরা সংস্কৃত ছেড়ে বাংলায় কবিতা লেখা শুরু করেন।
ভানুসিংহের পদাবলীতে কৃষ্ণের প্রতি মাথুরপর্বের বিরহিনী রাধার নিবিড় প্রেম ও অভিমান ব্যক্ত হয়।যেমন,
“রয়নে কুঞ্জে আসবে যব সখি শ্যাম হমারই আশে,
ফুকারবে যব রাধা রাধা মুরলি ঊরধ-শ্বাসে,
যব সব গোপিনী আসবে ছূটই যব হম আসব না;
যব সব গোপিনী জাগবে চমকই যব হম জগব না,
তব কি কুঞ্জপথ হমারি আশে হেরবে আকুল শ্যাম?
বন বন ফেরই সো কি ফুকারবে রাধা রাধা নাম?”
ছবি: গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের আঁকা ষোড়শবর্ষীয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি স্কেচ।
১৮৭৫ সালে কলকাতার সাহিত্য জগতে ব্রজবুলি নামক একটি অপ্রচলিত বাংলা উপভাষায় বৈষ্ণব কবি ভানুসিংহ রচিত একগুচ্ছ অসাধারণ কবিতা প্রকাশিত হয়। পরে জানা যায় যে, এটি সংস্কারক মনোভাবাপন্ন বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারের এক তরুণ বংশধর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা। মাত্র ষোল বছর বয়সে তিনি এগুলি রচনা করেছিলেন। কবিতাগুলি পূর্ব ভারতের ভাবাবেগপূর্ণ ভক্তি ঐতিহ্যের কাছে বহুলাংশে ঋণী। এই ঐতিহ্যের সূচনা হয়েছিল দ্বাদশ শতাব্দীতে জয়দেবের ‘গীত গোবিন্দ’ থেকে। এর পরে আসেন চৈতন্য মহাপ্রভু এবং চণ্ডীদাস, রামপ্রসাদ সেন ও অন্যান্য কবিগণ। পঞ্চদশ শতাব্দী থেকে তাঁরা সংস্কৃত ছেড়ে বাংলায় কবিতা লেখা শুরু করেন।
ভানুসিংহের পদাবলীতে কৃষ্ণের প্রতি মাথুরপর্বের বিরহিনী রাধার নিবিড় প্রেম ও অভিমান ব্যক্ত হয়।যেমন,
“রয়নে কুঞ্জে আসবে যব সখি শ্যাম হমারই আশে,
ফুকারবে যব রাধা রাধা মুরলি ঊরধ-শ্বাসে,
যব সব গোপিনী আসবে ছূটই যব হম আসব না;
যব সব গোপিনী জাগবে চমকই যব হম জগব না,
তব কি কুঞ্জপথ হমারি আশে হেরবে আকুল শ্যাম?
বন বন ফেরই সো কি ফুকারবে রাধা রাধা নাম?”
ছবি: গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের আঁকা ষোড়শবর্ষীয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি স্কেচ।