শিল্প প্রকাশ’ অনুযায়ী প্রতিটি মন্দিরের বাইরের দেওয়ালে একদল কুমারী মেয়ের প্যানেল থাকা প্রয়োজনীয়। স্ত্রী বিনা গৃহ যেমন অপূর্ণ, বিলাসব্যসন যেমন নারী বিনা অসম্পূর্ণ, তেমনি মন্দিরগাত্র কুমারী নারীর মূর্তি বিনা নিষ্ফল।
ওড়িশার প্রথম সম্পূর্ণ মন্দির, দশম শতাব্দীতে তৈরী মুক্তেশ্বর শিবমন্দিরে নারীবন্ধ রয়েছে। এটি একধরণের পঞ্চায়তন মন্দির, যেখানে প্রধান বিগ্রহের সঙ্গে আরও চারজন দেবদেবী থাকে। পরবর্তীকালে এই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়, যদিও কখনো কখনো আট বিগ্রহের অষ্টাঙ্গ মন্দিরও তৈরী করা হয়েছে।
পুরানো পরশুরাম মন্দিরে এই নারী মূর্তিগুলি দেওয়ালের উপরের দিকে লুকানো আছে। মুক্তেশ্বর মন্দিরে আবার এদের সামনেই দেখা যায়। এই স্থাপত্যরীতির মাধ্যমেই জন্ম নিয়েছে মন্দির গাত্রের বিভিন্ন মিথুন মূর্তি, খাজুরাহোতে যার প্রকাশ সর্বাধিক।
মুক্তেশ্বর মন্দিরের দেওয়াল পঞ্চরথ আকৃতির, অর্থাৎ একেক দিকের দেওয়ালে পাঁচটি করে খাঁজ আছে। তোরণ, অলংকৃত ছাদ, অল্পসংখ্যক কিছু অলঙ্করণহীন স্তম্ভ, নাগনাগিনী খোদিত দেওয়াল স্তম্ভ, এবং অনেকগুলি সূক্ষ্ম ভাস্কর্য (প্রধানত নবগ্রহ এবং সপ্তমাত্রিকা) এই মন্দিরের বৈশিষ্ট্য।
ছবি ঋণ: এস আর রামানুজম
শিল্প প্রকাশ’ অনুযায়ী প্রতিটি মন্দিরের বাইরের দেওয়ালে একদল কুমারী মেয়ের প্যানেল থাকা প্রয়োজনীয়। স্ত্রী বিনা গৃহ যেমন অপূর্ণ, বিলাসব্যসন যেমন নারী বিনা অসম্পূর্ণ, তেমনি মন্দিরগাত্র কুমারী নারীর মূর্তি বিনা নিষ্ফল।
ওড়িশার প্রথম সম্পূর্ণ মন্দির, দশম শতাব্দীতে তৈরী মুক্তেশ্বর শিবমন্দিরে নারীবন্ধ রয়েছে। এটি একধরণের পঞ্চায়তন মন্দির, যেখানে প্রধান বিগ্রহের সঙ্গে আরও চারজন দেবদেবী থাকে। পরবর্তীকালে এই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়, যদিও কখনো কখনো আট বিগ্রহের অষ্টাঙ্গ মন্দিরও তৈরী করা হয়েছে।
পুরানো পরশুরাম মন্দিরে এই নারী মূর্তিগুলি দেওয়ালের উপরের দিকে লুকানো আছে। মুক্তেশ্বর মন্দিরে আবার এদের সামনেই দেখা যায়। এই স্থাপত্যরীতির মাধ্যমেই জন্ম নিয়েছে মন্দির গাত্রের বিভিন্ন মিথুন মূর্তি, খাজুরাহোতে যার প্রকাশ সর্বাধিক।
মুক্তেশ্বর মন্দিরের দেওয়াল পঞ্চরথ আকৃতির, অর্থাৎ একেক দিকের দেওয়ালে পাঁচটি করে খাঁজ আছে। তোরণ, অলংকৃত ছাদ, অল্পসংখ্যক কিছু অলঙ্করণহীন স্তম্ভ, নাগনাগিনী খোদিত দেওয়াল স্তম্ভ, এবং অনেকগুলি সূক্ষ্ম ভাস্কর্য (প্রধানত নবগ্রহ এবং সপ্তমাত্রিকা) এই মন্দিরের বৈশিষ্ট্য।
ছবি ঋণ: এস আর রামানুজম